রবীন্দ্রনাথ মানুষকে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছেন: রবি উপাচার্য
11:31am, 29th Jan, 2024


stack photo

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার নাটকের মাধ্যমে মানুষকে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছেন বলে জানিয়েছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শাহ্ আজম।


তিনি বলেন, এই মুক্তি, বন্ধন থেকে মুক্তি, জড়ত্ব থেকে মুক্তি, পরাধীনতা থেকে মুক্তি। রূপক- সংকেতের মাধ্যমে তিনি বারবার বাঁধ ভাঙার কথা, অচলায়তন ভাঙার কথা বলেছেন।


বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্কলাসটিকা মিরপুর সিনিয়র শাখা কর্তৃক প্রদর্শিত হয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক ‘তাসের দেশ’। ওই আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন।


সব কুসংস্কার, জড়তা ও নিয়মতান্ত্রিকতাকে ছিন্ন করে, পুরাতনকে ভেঙে নতুনভাবে গড়ে তোলার ডাক নাটকটির অন্তর্নিহিত সুর।



উপাচার্য শাহ্ আজম বলেন, রবীন্দ্রনাথ বারবার জীর্ণ পুরাতনকে পরিত্যাগ করে নতুনকে আহবান করেছেন। যৌবন তথা তারুণ্যের শক্তিকে তিনি পরিবর্তনের নিয়ামক বলে জেনেছেন। তাই তার নাটকে মুক্তিরদূত হিসেবে তরুণদের দেখতে পাই, যেমন এই নাটকে রাজপুত্র। এ থেকে আমরাও স্বপ্ন দেখি আমাদের তরুণরাই জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণ করবে।


প্রফেসর শাহ্ আজম প্রথমেই চমৎকার আয়োজনের জন্য আয়োজকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জাতীয় সংগীতের মহান স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে বাংলাদেশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকবির প্রতি আমাদের যে দায় তা কিছুটা মোচন হয়েছে। রবীন্দ্র ভুবনের এক আলোকজ্জ্বল ভুখণ্ড হলো নাটক। বিষয়গত ও রীতিগত নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কবিগুরু বাংলা নাটককে সমৃদ্ধ করেছেন।